Showing posts with label other. Show all posts
Showing posts with label other. Show all posts

2020/04/25

tabib mahmud new song

মৃত্যুবন্যা, ভয়াল প্লাবন, ভেসে গেলো লাখো প্রাণ, আমার চেতনার হুশ ফেরাতে কি তবে এলো মাহে রমজান? জানি না সেকথা, দেখিনি আমি নতুন দিনের চাঁদ আমার আকাশে এখনো আধার আর কিছু অবসাদ। হয়নি আজাদ, শিশুর অধরে বির বির রাগ শুনি আসমানী বুকে এক ফালি চাঁদ, হাজার ব্যাথার খনি জীবনে যাদের প্রতিদিন রোজা, ক্ষুধার সঙ্গে বাস মৃত্যুর সাথে এক ঘাটে যারা ওজু করে বারো যে খোকা মরিলে কুকুর ভিন্ন কাদে না একটি মন তাদের জন্য নতুন করে কি রমজান প্রয়োজন? শ্রমিকের বুকে জমাট রক্ত দেখতে পায় না কেউ অস্রু সলিলে পাক দিয়া উঠে সাত দরিয়ার ঢেউ ছোটো খোকাটার অসুখ হয়েছে মরবে মরবে ভাব এখনো যে তার পাওনা দিলোনা শহরের বাবু সাব এক ফালি চাঁদ আকাশে ফুটেছে মনেতে ফুটেনি তার মৃত পুত্রের জানাজা পরে সে করে নাই ইফতার ভূমিহীন চাষী অন্যের ক্ষেতে ফসল করেছে চাষ অভাবের সাথে পাঞ্জা লড়ে সে টিকে থাকে বারোমাস চাতাল ব্যাপারী নিয়ে যায় ধান পানির মূল্য দিয়ে তাদের কি আর কিছু আসে যায় নয়া রমজান পেয়ে। কোথায় ইমাম? কোথায় নেতা? কোথায় বাংলাদেশ চেতনার জলে সাতার কাটিয়ে হাপায়া উঠেছি বেশ চারিদিকে শুধু জীবন্ত লাশ, মৃত্যুর দিন গুনে আছে কোনো নেতা নিকটে আসিয়া মানুষের কথা শুনে? নিঙরিয়া পড়ে হাদিস কোরান মাওলানা বেশ খুব কোন আয়াতের ওজরে তুমি হে থাকো আজ নিশ্চুপ? তোতাপাখি হয়ে সবক নিয়েছে চিন্তা করেনি তাই দুর্বল বুকে হিংসা ঘুমায় গতরে শক্তি নাই তাহারি খুৎবা গিয়েছে থেমে, শুনে না আজ তা কান বুঝেনা বেকুব ইমামের দল নিজেদের অপমান নিজেকে যেজন চিনে না সেজন অধম শক্তিহীন তারি পিছু কভু কাতার বাধে না মুমিন মুত্তাকিন শোন নির্বোধ! এই দুনিয়ায় বিশ্বাসী যার নাম আমৃত্যু সেই চালিয়ে গিয়েছে শান্তির সংগ্রাম আল্লার নামে জিকির করেছো তসবির মালা গেধে সেই আল্লাকেই পারো নি রাখতে আপন মনেতে বেধে পুটলায় যার রুটি নাই সে কীভাবে করবে দান কিতাব পড়ে সে হুজুর হয়েছে হয় নাই ওসমান অন্ধ যেজন সেজন কভু কি রাস্তা দেখাতে পারে? সেইতো আজিকে নেতা হয়ে ছুটে গহীন অন্ধকারে চারিদিক কালো বেদনায় ঘেরা, জনসাধারণ মাঝে এদের ভেতরে কজন বলো সরল অংক বুঝে? আনিবে কে আজ রমজান শেষে ঈদের চাদের হাসি? মুছে দিবে যত বেদনা বুকেতে জড়ায়া কাদছে চাষি মৃত্যুবন্যা থামাবে কে আজ? আসবেন তিনি কবে সেদিন মোদের জীবনে সবার ঈদুর ফিতর হবে।

2020/01/02

english writing apps for free

2019/12/12

মুসলিম বিদ্বেষী ভারতীয় বিজেপি সরকারের আরেকটি ঘৃণ্য পদক্ষেপ

সম্প্রতি ভারতীয় সরকার একটি বিতর্কিত বিলের প্রস্তাব পাশ করেছে এবং বলছে যে ধর্মীয় নিপীড়ন থেকে পালিয়ে আসা লোকদের একটি বাড়ি প্রস্তাব এটি। তবে বিরোধীরা বলছে যে, এই বিল
ধর্মনিরপেক্ষতার পরিচয়কে ক্ষুণ করবে। বিলটি ভারতীয় পার্লামেন্টের উচ্ছ কক্ষে পাশ হতে হবে। তবে এটি পাশ হলে ভারতের ইতিহাসে ৬৪ বছরের পুরনো নাগরিকত্ব বিলের ব্যাপক পরিবর্তন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বলা হচ্ছে এই নতুন নাগরিকত্ব বিলের অধীনে যারা ধর্মীয়ভাবে ভারতে জাতীয় ধর্মের সাথে মিল রয়েছে তারাই নাগরকিত্ব পাবে। যেমন বাংলাদেশ, পাকিস্তান, আফগানিস্তান থেকে আসা নথিছাড়া নাগরিকরা নাগরিকত্ব পাবে না। তবে যারা হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ও শিখ ধর্মের অনুসারী আছে তারাও নাগরিকত্ব পাবে। কিন্তু মুসলিমরা নাগরিকত্ব পাবে না। আর এর মাধ্যমেই স্পষ্ট হয়ে গেল মোদীর নেতৃত্বের বিজেপি সরকারের মুসলিম বিদ্বেষী মনোভাবের।

মুসলিম বিদ্বেষী ভারতীয় বিজেপি সরকারের আরেকটি ঘৃণ্য পদক্ষেপ
মুসলিম বিদ্বেষী ভারতীয় বিজেপি সরকারের আরেকটি ঘৃণ্য পদক্ষেপ


প্রসঙ্গত বলা যায়, ভারতীয় সরকার একে একে মুসলিমদের উপর নিপীড়নের বিভিন্ন খাত সৃষ্টি করছে। এইতো কিছুদিন আগেই, মুসলিমবিদ্বেষী এই সরকার বাবরী মসজিদ কেড়ে নেয়। এই মসজিদটি সর্বপ্রথম ১৫২৭ সালে উদ্বোধন হয় এবং ধংস করা হয় ১৯৯২ সালে । সর্বশেষ ভারতীয় সুপ্রীম র্কোটের রায়ে বিরোধীরা কোন উপযুক্ত দলিলাদি দিয়ে প্রমান করতে পারেনি যে এই মসজিদের জায়গা হিন্দুত্ববাদিদের জায়গা। যার ফলে ভারতীয় প্রধান বিচারপতি এই মর্মে রায় দেন যে, মুসলিমদের অন্যত্র মসজিদের জায়গা দিতে এবং বাবরী মসজিদ ভেঙ্গে (নাউওজুবিল্লাহ-আল্লাহই একমাত্র আল্লাহর ঘর রক্ষাকারী এবং ইনশাল্লাহ রক্ষা করবেনই) রাম মন্দির নির্মান ও  অন্যত্র মসজিদ পূনঃনির্মান করতে।
সর্বশেষ আসামের নাগরিক পুঞ্জিতেও মুসলিম ও বাংঙালিভাষীদের উপর মোদী সরকারের ব্যাপক বিদ্বেষ লক্ষ্য করা যায়। তাছাড়া প্রায়ই সময় মুসলিমদের গরুর মাংস বহন,ভক্ষণ এর অভিযোগে হত্যা করা হচ্ছে, যা আমরা অনলাইন গণমাধ্যমের কল্যানে জানতে পারি।
প্রিয় পাঠক, আপনারাই বলুন তো, পৃথিবীর কোন মুসলিম দেশে ভিনধর্মের লোকেরা নির্যাতিত, নিপীড়িত ও হত্যার স্বীকার হচ্ছে? আমরা বলব না। কারণ পৃথিবীতে একমাত্র ইসলাম ধর্মই আল্লাহ মনোনীত ধর্ম যার কারণে ইসলাম যেখানে শান্তি সেখানে।

(হে যমীনবাসী) তোমরা যমীনে ফেতনা-ফাসাদ সৃষ্টি করো না। (সূরা বাক্বারা শরীফ : শরীফ ১১,  আ’রাফ শরীফ :  শরীফ ৫২)

2019/05/06

ওমান বিমানবন্দর লাগেজ নীতির প্রবর্তন

Oman Airports introduces new baggage policy ওমান বিমানবন্দর নতুন লাগেজ নীতি প্রবর্তন



মস্কাট: ওমান বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ এক  আগস্ট থেকে শুরু হওয়া মস্কাট আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, সালালাহ বিমানবন্দর এবং সোহার বিমানবন্দরে অনিয়মিত আকারের লাগেজের জন্য হ্যান্ডলিং ফি চার্জ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছ

ওমান বিমানবন্দর থেকে একটি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, নতুন লাগেজ ফিটি গত বছরের সেপ্টেম্বরে নিষিদ্ধ করা লটবহরগুলির জন্য উপযুক্ত। 43 ইঞ্চি স্ক্রিন সাইজের বেশি ফ্ল্যাট প্যানেল টেলিভিশন সেট সহ সমস্ত অনিয়মিত আকৃতির লাগেজ, একটি সমতল পৃষ্ঠ ছাড়া কম্বল, কম্বল এবং দড়ি মোড়ানো প্যাকেজগুলি এই চার্জ সাপেক্ষে।

গত বছর, ওমান বিমানবন্দর যেমন লটবহর ট্রানজিট সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করেছে। এই নতুন নিয়ম অনুযায়ী, যাত্রীরা কিছু অতিরিক্ত ফি পরিশোধ করে এই ধরনের প্যাকেজ নিতে পারেন।

মস্কেট এবং সালালাহ বিমানবন্দরে সকল যাত্রীদের জন্য ব্যাগজেজ পরিষেবায় উন্নতি করতে সহায়তা করার জন্য নতুন লাগেজ নিয়ম চালু করা হয়েছে।

2019/01/26

প্রবাস জীবনের গপ্প-০১


bangladeshi worker in foreign country
probashi life and story

জীবিকার তাগিদে দেশ ছেড়ে যারা ভিন দেশে পাড়ি জমায় তাদেরকে প্রবাসী বলা হয়। বর্তমানে প্রায় ১ কোটিরও বেশি বাংলাদেশী মানুষ প্রবাস জীবনযাপন করছে। যার মধ্যে কেউ আছে বৈধভাবে আবার অনেকে আছে অবৈধভাবে। যাইহোক, প্রবাসী এই সূর্য সন্তানরা তাদের জীবনের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য ত্যাগ করে তাদের পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য অনবরত কাজ কারে যাচ্ছে। তাদের জন্য নাই কোন ঈদের আনন্দ নাই কোন পরিবার ও সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহনের সুযোগ। তারা কি করে দেশে নিজের পরিবার কে সুখে রাখবে সেই চিন্তাই করে শুধু দিনরাত। হ্যাঁ বন্ধুরা তাদেরই কথা বলছি আজ যারা দেশের অর্থনীতি চাঙ্গা রাখার জন্য জন্য আজীবন যুদ্ধ করে যাচ্ছে। তো আমরা কি কখনো ভেবেছি? এই রেমিটেন্স যোদ্ধাদের জন্য সরকার কিছু করছে? প্রশ্ন রইল আপনাদের কাছে। যাইহোক, পাঠকবৃন্দ, আজ আমার এক পরিচিত প্রবাসীভাইয়ের জীবন কাহিনী লিখব।
প্রবাস জীবনের গপ্প-০১
কামাল মজুমদার ১৯৯০ সালে তার এক আত্মীয়ের মাধ্যমে পরিবারের সর্বস্ব বিক্রি করে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ওমানে পাড়ি জমিয়েছিলেন। এখনো প্রবাস জীবন যাপন করে যাচ্ছেন। আসল কথা হল বন্ধুরা, বিদেশ আসতে কোন টাকা পয়সা লাগে না। যেমন ভারত, নেপাল, শ্রীলংকা ও ফিলিপাইনের মতো দেশ থেকে কর্মীরা বিনা খরচে বা নামমাত্র খরচে প্রবাসে পাড়ি জমাতে পারে। পাঠকবৃন্দ হ্যাঁ আপনাদেরই বলছি সেই কামাল মজুমদার যে কিনা দীর্ঘ ত্রিশ বছরেরও বেশি ধরে প্রবাস জীবন পার করছেন। ১৯০০ সালের কথা প্রায় ১৪০০০০ টাকা করে বিদেশ এসেছিলেন পরিবারের আর্থিক অবস্থার উন্নতি করার জন্য। তিনি যে কাজের জন্য ভিসা নিয়েছিলেন তা হল সুপার শপে সেইলস ম্যান হিসেবে। কিন্তু তিনি বিদেশ আসার পর দেখতে পারে আসলে ভিসাটি ছিল ভুয়া। সুপার শপের কথা বলে তার কাছথেকে ১৪০০০০ টাকা আদায় করেছিল তার আপন খালাত ভাই। তাই সে (কামাল) যেহেতু সর্বস্ব বিক্রয় করে বিদেশ এসেছে, যেভাবেই হোক তার খরচ তুলতে হবে সেই ইচ্ছায় জড়িয়ে পড়ে মাদক বিদেশে পরিচিত এক ভারতী নাগরিকের সাথে। শুরু হয় তার প্রবাস জীবন এক ভয়াবহ অপরাদের মাধ্যমে। দীর্ঘ তিন থেকে চার বছর গোপনে মাদক ব্যবসা চালিয়ে কোটি টাকার মালিকও হয়েছেন তিনি। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস, ১৯৯৫ সালের দিকে ওমানের পুলিশ তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। আদালতে বিচারের মাধ্যমে তার প্রায় ১২ বছরের সশ্রম কারাদন্ড হয়। দীর্ঘ কারভোগের পর ৩৬ বছর বয়সে ২০০৭ সালে মুক্তিপেয়ে দেশে ফিরেন তিনি। দেশে ফিরে সেখানে তার আর ঠাই হয়নি। তার ভাইয়ের তার অর্জিত সমস্ত টাকা ও তার টাকায় ক্রীত সম্পত্তি দখল করে নেন। এমনকি তাকে তার পিতৃভিঠে থেকেও বঞ্চিত করা হয়। অথচ সে এসেছিল অতি আগ্রহে নিজের পিতৃভূমি ও পরিবারের সাথে যাতে বাকি জীবন টা আনন্দে কাঠিয়ে দিবে। কিন্তু তা হয়ে উঠেনি। হয়ত বা পিতামাতা বেচে থাকলে এমনটা হতোনা। প্রিয় ছেলেটি ফিরে আসলে হয়ত তাকে বুকে জড়িয়ে কাঁদতো তার জন্য লাল টুকটুকে বউয়ের ব্যবস্থা করতো। যাইহোক, পোড়াকপাল নিয়ে সে দীর্ঘ দু/তিন বছর ঢাকার অলিতে গলিতে ছোটখাটো কাজ করে আবার সেই মধ্যে প্রাচ্যের দেশ ওমানে পড়ি জমায়। বর্তমানে তিনি প্রায় ৪৯ বছরের এক বয়স্ক মানুষ। বিয়েশাদী তার জীবনে করা আর হয়নি। টাকাপয়সা আল্লাহর রহমতে অনেক হয়েছে বর্তমানে। দ্বিদাদন্দ্বে আছেন বাকি জীবন কিভাবে কাঠাবেন। দেশে ফিরে বিয়েশাদী করবেন নাকি এভাবে জীবন কাঠিয়ে দিবেন। দেশে গিয়েও বা কার কাছে উঠবেন। টাকা পয়সা আছে কিন্তু ভিঠেবাড়ি তো নেই। আর ভিঠেবাড়ি ছাড়া কেউ তো মেয়েও বিয়ে দিবে না তার সাথে। পাঠকবৃন্দ একটুকু বাস্তব জীবন কাহিনীই তার কাছ থেকে শোনা হল। যা আপনাদের কাছে শেয়ার করলাম।